
কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে পরকীয়ার অভিযোগে আটকের ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
জানা গেছে, সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে নেত্রকোনা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করেন। পরে তাকে সালিশে নেওয়া হয়।
উপজেলার ৮ নং দক্ষিণ বিশিউরা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে তাকে নিয়ে সালিশি বৈঠকের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও দাবি করা হচ্ছে, বিবাহিত রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে তার পাশের বাড়ির গোলাপ মিয়ার মেয়ের পরকীয়ার সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে অনুষ্ঠিত সালিশে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং গ্রাম ছাড়ার দাবি তোলে উপস্থিত লোকজন।
আজ (৪ আগস্ট) মঙ্গলবার দুপুরে নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আবুল খায়ের ঘটনাত্তলে গেলে তার কাছ থেকে জানা যায় থানায় এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, অভিযোগ পাওয়া গেলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব এবং এখানে এসে যা শুনতে পেরেছি বিচার সালিশ করে টাকা জরিমানা বা গ্রাম ছাড়া করা এগুলোর সুযোগ নাই দেশে আইন আছে আইন অনুযায়ীই বিচার হবে এবং এটার সাথে যদি কেউ জড়িত থাকে তাদেরও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, রিপন মিয়ার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
২০১৬ সালে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে ফেসবুকে যাত্রা শুরু করেন রিপন মিয়া। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তার সহজ-সরল উপস্থাপনা আর ঘরোয়া ভিডিওগুলো দর্শকপ্রিয়তা লাভ করে। বিশেষ করে, তার মুখে শোনা ‘হাই আই অ্যাম রিপন ভিডিও’ এবং ‘আই লাভ ইউ, এটাই বাস্তব’ সংলাপ দুটি নেটিজেনদের মাঝে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
সবার আগে আমরা আছি আপনার সাথে