
নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
নেত্রকোনা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচোরা ও চলাচলের অনুপযোগী রাস্তাঘাট নিজ উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কারের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন নেত্রকোনা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি, শহীদ জিয়া স্মৃতি সংঘের সভাপতি এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী জনাব মোঃ শামীম।
এলাকাবাসীর চলাচলের দুর্ভোগ লাঘব করতে তিনি নিজ সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে ৯নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে ভাঙা ও ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তাগুলো চিহ্নিত করছেন। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী সেসব স্থানে মেরামত ও সংস্কারকাজ পরিচালনা করছেন। পুরো কার্যক্রমই তিনি নিজ উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৯নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন সড়কের খানাখন্দ ও ভাঙাচোরা অংশের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। বিশেষ করে স্কুলগামী শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং জরুরি রোগী পরিবহনের ক্ষেত্রে এসব সড়ক বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করছিল। শামীমের উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো সংস্কার হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
‘এলাকাবাসীর সমস্যা আমার নিজের সমস্যা’
নিজ উদ্যোগে রাস্তা সংস্কারের কারণ জানতে চাইলে মোঃ শামীম বলেন,
«“এই এলাকাটি আমার, এই এলাকার মানুষগুলোও আমার আপনজন। এলাকাবাসীর সমস্যা আমার নিজের সমস্যা। তাই রাস্তাঘাট যেখানে ভাঙা বা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে আছে, সেখানে আমি দ্রুত সংস্কারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আমার উদ্দেশ্য একটাই—আমার এলাকাবাসী যেন হাসপাতালে যেতে কিংবা কোনো জরুরি প্রয়োজনে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগের শিকার না হন।”»
তিনি আরও বলেন,
«“আমার সামর্থ্য যতদিন আছে, ততদিন আমি এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাব। আমি আমার এলাকাবাসীর কাছে আহ্বান জানাই, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নেত্রকোনা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমাকে নির্বাচিত করে কাজ করার একটি সুযোগ দিন। সেই সুযোগ পেলে আমি আমার এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”»
স্বস্তি প্রকাশ এলাকাবাসীর
শামীমের এই উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাগুলো ভাঙাচোরা থাকায় প্রতিদিন চলাচলে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে তাদের।
তারা জানান, ভাঙা রাস্তায় অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহন চলাচলের সময় প্রায়ই দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হতো। স্কুলগামী ছোট ছোট শিশুদের বহনকারী অটোরিকশা অনেক সময় ভারসাম্য হারিয়ে উল্টে যাওয়ার উপক্রম হতো। এমনকি মুমূর্ষু রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় ভাঙা রাস্তায় ঝাঁকুনির কারণে রোগীর শারীরিক অবস্থাও আরও খারাপ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকত।
তাদের ভাষ্য, রাস্তার ভাঙা অংশগুলো সংস্কার করার ফলে এখন থেকে এসব দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে।
এলাকাবাসী আরও বলেন, জনপ্রতিনিধিত্বের সুযোগ পাওয়ার আগেই মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করার এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও শামীমের এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়দের মতে, প্রতিশ্রুতির আগে বাস্তব কাজ—এমন উদ্যোগই একজন জনপ্রতিনিধির প্রতি মানুষের আস্থা ও প্রত্যাশাকে আরও শক্তিশালী করে।
সবার আগে আমরা আছি আপনার সাথে