Dhaka ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনায় লক্ষাধিক ভোটের ব্যাবধানে ডাঃ আনোয়ারুল হকের নিরঙ্কুশ বিজয়

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৮৪ Time View

প্রকাশের সময় 13/02/2026

১২ ফেব্রুয়ারি দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোর থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সারা দেশের ন্যায় নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্রা) আসনে দিনভর ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিয়েছে। 

সদর বারহাট্টা আসনে নারী, পুরুষ ও তৃতীয় লিঙ্গের মোট ভোটার ৫,০২,৪৩৮ জন। তার মধ্যে নারী ভোটার ২,৫০,০৪৭ জন, পুরুষ ভোটার ২,৫২,৩৭৯ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ১২ জন। মোট ভোট প্রদান করা হয় ২,৭০,২৮৫ টি, প্রাপ্ত ভোটের শতকরা হার ৫৩.৭৯%।

সদর বারহাট্টা আসনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ধানের শীষে অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক, জাতীয় পার্টির এ বি এম রফিকুল হক তালুকদার, ইসলামীক আন্দোলনের আব্দুল কাইয়ুম, জাতীয় নাগরিক পার্টির ফাহিম রহমান পাঠান ও বাংলাদেশ খেলাফতের আব্দুর রহিম প্রতিদ্বন্দ্বী করে।

বিএনপি থেকে ধানের শীষের প্রতিক নিয়ে অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক ১,০৪,০৩২ ভোটের ব্যাবধানে নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ১১ দলীয় জোটের এনসিপির প্রার্থী ফাহিম রহমান খান পাঠান, তার প্রাপ্ত ভোট ৬৭,৩৬৭। অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হকের মোট প্রাপ্ত ভোট ১,৭১,৩৯৯।

নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের নির্বাচনে অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হকের নিরঙ্কুশ বিজয় শুধু একটি রাজনৈতিক সাফল্য নয়, এটি ছিল সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও আস্থার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ভোটের দিন ভোর থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রের সামনে নারী-পুরুষ, তরুণ-প্রবীণদের দীর্ঘ সারি প্রমাণ করেছে, এই বিজয় ছিল মানুষের হৃদয়ের বিজয়। কোনো চাপ নয়, কোনো প্রলোভন নয়; বরং উন্নয়ন, মানবিকতা ও সেবামূলক রাজনীতির প্রতি বিশ্বাস থেকেই মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছেন।

ডাঃ আনোয়ারুল হক দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থেকে চিকিৎসা সেবা, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে যে আস্থা অর্জন করেছেন, তারই প্রতিফলন ঘটেছে এই নির্বাচনে। সাধারণ মানুষ মনে করেছেন, তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা একজন সেবককেই প্রতিনিধি হিসেবে প্রয়োজন। তাই তারা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিয়ে তাঁর নিরঙ্কুশ বিজয় নিশ্চিত করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

md rezaul hasan

নেত্রকোনায় লক্ষাধিক ভোটের ব্যাবধানে ডাঃ আনোয়ারুল হকের নিরঙ্কুশ বিজয়

নেত্রকোনায় লক্ষাধিক ভোটের ব্যাবধানে ডাঃ আনোয়ারুল হকের নিরঙ্কুশ বিজয়

Update Time : ১২:৩১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রকাশের সময় 13/02/2026

১২ ফেব্রুয়ারি দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোর থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সারা দেশের ন্যায় নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্রা) আসনে দিনভর ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিয়েছে। 

সদর বারহাট্টা আসনে নারী, পুরুষ ও তৃতীয় লিঙ্গের মোট ভোটার ৫,০২,৪৩৮ জন। তার মধ্যে নারী ভোটার ২,৫০,০৪৭ জন, পুরুষ ভোটার ২,৫২,৩৭৯ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ১২ জন। মোট ভোট প্রদান করা হয় ২,৭০,২৮৫ টি, প্রাপ্ত ভোটের শতকরা হার ৫৩.৭৯%।

সদর বারহাট্টা আসনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ধানের শীষে অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক, জাতীয় পার্টির এ বি এম রফিকুল হক তালুকদার, ইসলামীক আন্দোলনের আব্দুল কাইয়ুম, জাতীয় নাগরিক পার্টির ফাহিম রহমান পাঠান ও বাংলাদেশ খেলাফতের আব্দুর রহিম প্রতিদ্বন্দ্বী করে।

বিএনপি থেকে ধানের শীষের প্রতিক নিয়ে অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক ১,০৪,০৩২ ভোটের ব্যাবধানে নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ১১ দলীয় জোটের এনসিপির প্রার্থী ফাহিম রহমান খান পাঠান, তার প্রাপ্ত ভোট ৬৭,৩৬৭। অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হকের মোট প্রাপ্ত ভোট ১,৭১,৩৯৯।

নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের নির্বাচনে অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হকের নিরঙ্কুশ বিজয় শুধু একটি রাজনৈতিক সাফল্য নয়, এটি ছিল সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও আস্থার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ভোটের দিন ভোর থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রের সামনে নারী-পুরুষ, তরুণ-প্রবীণদের দীর্ঘ সারি প্রমাণ করেছে, এই বিজয় ছিল মানুষের হৃদয়ের বিজয়। কোনো চাপ নয়, কোনো প্রলোভন নয়; বরং উন্নয়ন, মানবিকতা ও সেবামূলক রাজনীতির প্রতি বিশ্বাস থেকেই মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছেন।

ডাঃ আনোয়ারুল হক দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থেকে চিকিৎসা সেবা, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে যে আস্থা অর্জন করেছেন, তারই প্রতিফলন ঘটেছে এই নির্বাচনে। সাধারণ মানুষ মনে করেছেন, তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা একজন সেবককেই প্রতিনিধি হিসেবে প্রয়োজন। তাই তারা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিয়ে তাঁর নিরঙ্কুশ বিজয় নিশ্চিত করেছেন।