Dhaka ০৪:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্যাংকের লকার থেকে ১৪৯ ভরি স্বর্ণ গায়েব

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:২৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০২৪
  • ২৫৮ Time View

প্রকাশের সময় 02/06/2024

চট্টগ্রামের চকবাজার এলাকার ইসলামী ব্যাংকের শাখার লকার থেকে ১৪৯ ভরি স্বর্ণ গায়েব হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে আগামীকাল সোমবার (৩ জুন) আদালতে মামলা করার কথা জানিয়েছেন ভুক্তভোগী রাবেয়া বারী।

ব্যাংকটির চকবাজার শাখার প্রধান এ এম শফিকুল মাওলা চৌধুরী বলেন, ভুক্তভোগী গ্রাহকের অভিযোগটি অভ্যন্তরীণভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৩ জুন) তদন্তের অগ্রগতি ভুক্তভোগী গ্রাহককে জানানো হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, একজন গ্রাহক লকারের কী রাখছেন এবং কতটুকু রাখছেন, সে ব্যাপারে কোনো রেকর্ড রাখা হয় না। শুধুমাত্র আগ্নেয়াস্ত্র ও দাহ্য পদার্থ না রাখার ব্যপারে একটি লিখিত নেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, এ রকম কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে ভুক্তভোগী গ্রাহক ইন্স্যুরেন্স কাভারেজ পেয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে ছোট লকারের জন্য ১ লাখ টাকা, মাঝারি লকারের জন্য ২ লাখ টাকা ও বড় লকারের জন্য তিন লাখ টাকা পাবেন গ্রাহক।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

md rezaul hasan

নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু

ব্যাংকের লকার থেকে ১৪৯ ভরি স্বর্ণ গায়েব

Update Time : ০১:২৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০২৪

প্রকাশের সময় 02/06/2024

চট্টগ্রামের চকবাজার এলাকার ইসলামী ব্যাংকের শাখার লকার থেকে ১৪৯ ভরি স্বর্ণ গায়েব হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে আগামীকাল সোমবার (৩ জুন) আদালতে মামলা করার কথা জানিয়েছেন ভুক্তভোগী রাবেয়া বারী।

ব্যাংকটির চকবাজার শাখার প্রধান এ এম শফিকুল মাওলা চৌধুরী বলেন, ভুক্তভোগী গ্রাহকের অভিযোগটি অভ্যন্তরীণভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৩ জুন) তদন্তের অগ্রগতি ভুক্তভোগী গ্রাহককে জানানো হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, একজন গ্রাহক লকারের কী রাখছেন এবং কতটুকু রাখছেন, সে ব্যাপারে কোনো রেকর্ড রাখা হয় না। শুধুমাত্র আগ্নেয়াস্ত্র ও দাহ্য পদার্থ না রাখার ব্যপারে একটি লিখিত নেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, এ রকম কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে ভুক্তভোগী গ্রাহক ইন্স্যুরেন্স কাভারেজ পেয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে ছোট লকারের জন্য ১ লাখ টাকা, মাঝারি লকারের জন্য ২ লাখ টাকা ও বড় লকারের জন্য তিন লাখ টাকা পাবেন গ্রাহক।