
প্রকাশের সময় 06/09/2026
জানুয়ারি থেকে আগষ্ট -২৬ ইং পর্যন্ত গত ৮ মাসে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১১ কোটি টাকা মূল্যমানের চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে।
নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল তৌহিদুল বারী পিএসসি আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর)
সকালে নেত্রকোনা নিউজকে জানান, আমাদের দ্বায়ীত্বপ্রাপ্ত সীমান্ত রয়েছে ৯২ কিলোমিটার এলাকা। এত বিশাল সীমান্ত এলাকায় পাহারা দেয়ার জন্য মাত্র ১৫টি বর্ডার অবজারভেশন পোস্ট (বিওপি) রয়েছে। শত প্রতিকুলতা ও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বিজিবি জোয়ানরা দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে অত্যন্ত নিষ্টার সঙ্গে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছে।
সীমান্ত দিয়ে শুধু পুশ ইন নয়, অবৈধ অস্ত্র, মাদক চোরাচালানসহ সীমান্ত রক্ষায় সর্বদাই তৎপর রয়েছে নেত্রকোণা ব্যাটালিয়ন ৩১ বিজিবি। প্রয়োজনীয় জনবল, লজিস্টিক সাপোর্ট ও রাস্তাঘাট না থাকায় এত বিশাল দুর্গম সীমান্ত এলাকা পাহারা দেয়া অত্যন্ত কঠিন। তারপরও সীমান্ত এলাকায় দিয়ে পুশ ইন, অস্ত্র, মাদক, চোরাচালান প্রতিরোধের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৩১ বিজিবি সর্বদাই সচেষ্ট রয়েছে।
তারপরও সীমিত জনবলের কারনে বিজিবির জোয়ানদের চোখ ফাঁকি দিয়ে মদ, ইয়াবা, ফেনসিডিল, ট্যাপেন্ডাডল, গাঁজা, গরু, চিনি, কম্বল, জিরা, সুপারি, ঔষধ, বাশঁ, কয়লা, চিপস্, ক্যামিকেল, শাড়ি, লেহেঙ্গাসহ নানা ধরনের প্রসাধনী সামগ্রী পাচার হচ্ছে।
জানুয়ারি থেকে আগষ্ট পর্যন্ত গত ৮ মাসে নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় ১১ কোটি টাকা মূল্যমানের চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে।
এর মধ্যে রয়েছে, ২৯৮৬ বোতল বিদেশি মদ, ৬০ বোতল বিয়ার ক্যান, ২৪০ বোতল ফেনসিডিল, ২৫০ গ্রাম গাঁজা, ৪২৮ পিস ইয়াবা, ৪৯ বোতল ইস্কাফ সিরাপ, ৮৪ পিস ট্যাপেন্ডাডল। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৪৮ লক্ষ ২৩ হাজার ৪ শত ২০ টাকা।
এছাড়াও জব্দকৃত অন্যান্য চোরাচালানের মধ্যে রয়েছে গরু, চিনি, কম্বল, জিরা, সুপারি, ঔষধ, বাশঁ, কয়লা, চিপস্, ক্যামিকেলস্, শাড়ি লেহেঙ্গা ও প্রসাধনী সামগ্রী। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১০ কোটি ৪৪ লক্ষ ২৩ হাজার ৬ শত ৪০ টাকা। জব্দকৃত মালামালের সর্বমোট বাজার মূল্য ১০ কোটি ৯২ লক্ষ ৫৭ হাজার ৫ শত ৬০ টাকা।
এসব চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকায় দায়ে ১৭ জন চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, অভিযানের পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে মানব পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এ কে এম আব্দুল্লাহ্ 







