Dhaka ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইতিহাস সাক্ষী আওয়ামী লীগ ইসলাম ও দেশের চিরশত্রু ——খেলাফত আন্দোলন

প্রকাশের সময় 20/06/2026

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব মাওলানা গাজী মুহাম্মাদ আবদুর রহীম রুহী বলেছেন, বর্তমান বিএনপি সরকারের নিরবতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের  মানবতাকে শেখ হাসিনা ও তার দোসররা দুর্বলতা ভেবেছে। সেই জায়গা থেকে নেত্রকোনাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সাম্প্রতিক বিভিন্ন জায়গায় মাথা চড়া দিয়ে উঠেছে। শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের মনে রাখতে হবে, হাসিনা সরকার বিগত ১৭  বছর দেশে হাজার হাজার  নিরীহ আলেম উলামা ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতাকে হত্যা করেছে, বহু রাজনীতিবিদকে আহত করে সারা জীবনের জন্য পঙ্গু করেছে।  বিডিআর এর ৫৭ জন সেনা অফিসার কে হত্যার মাধ্যমে দেশের সীমান্ত ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে, ১৩ সালে শাপলা চত্বরে অসংখ্য আলেমদেরকে হত্যা করেছে, রাস্তা থেকে নিরীহ পথচারীদের ধরে নিয়ে আয়না ঘরের টর্চার ছেলে মাসের পর মাস বছরের পর বছর বন্দি করে রেখেছে। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে চৌদ্দশো ছাত্র জনতাকে হত্যা করেছে। বিএনপি ও বিভিন্ন ইসলামী রাজনৈতিক দলের হাজার হাজার নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা, মামলা, জেল জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন করে তাদের জীবনকে অন্ধকার করে দিয়েছে। বিগত সময়ে ছাত্রলীগ যুবলীগ দেশের প্রতিটি শিক্ষাঙ্গনকে মাদক এবং অস্ত্রের গুদামে রূপান্তরিত করে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। আওয়ামী লীগের নেতারা হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এতকিছু করার পরও শেখ হাসিনা কিভাবে স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশে ফের রাজনীতি করার?  শেখ হাসিনা ততকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর বন্দুক রেখে ১৭ টা বছর এদেশের মানুষের উপর জুলুম নির্যাতন করেছে। শেখ হাসিনা ও তার দলের রাজনীতি করার সুযোগ এদেশে আর নেই। ইতিহাস সাক্ষী আওয়ামী লীগ ইসলাম ও দেশের চিরশত্রু।
আজ শনিবার(২০ জুন) বিকেলে নেত্রকোনা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেত্রকোনা জেলা খেলাফত ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে জেলায় আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর দায়ে বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নের নির্দেশদাদের দ্রুত গ্রেফতার ও সীমান্তে ভারত কর্তৃক বাংলাদেশী হত্যা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা ফাহিম রহমান খান পাঠান, জেলা খেলাফত আন্দোলনের নেতা মাওলানা আব্দুর রউফ, মাওলানা আব্দুস সালাম, মাওলানা মোস্তফা জিহাদী, খেলাফত যুব আন্দোলনের জেলা সভাপতি মুফতী মুসা শেখ, খেলাফত ছাত্র আন্দোলনের জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল মোতালিব খান, ছাত্র আন্দোলন নেত্রকোনা জেলা শাখার নেতা, মাওলানা বীন ইয়ামিন রুমী, মাওলানা শরিফুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ, ইসলামি শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন নেতা মারুফ বিল্লাহ প্রমুখ।
মানববন্ধন চলাকালে গাজী আব্দুর রহীম আরও বলেন, ২৩ তারিখ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেশে একটি বিশৃঙ্খলা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, ইতিমধ্যে গোয়েন্দা সংস্থা গুলো এ তথ্য দিয়েছে, এ বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা বন্ধ হচ্ছে না, সীমান্ত রক্ষী বাহিনীকে কোমর সোজা করে পাল্টা জবাব দেওয়ার আহবান জানান।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে  প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

md rezaul hasan

Popular Post

নেত্রকোনায় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, উপদাখালি নদীর পানি বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত

ইতিহাস সাক্ষী আওয়ামী লীগ ইসলাম ও দেশের চিরশত্রু ——খেলাফত আন্দোলন

Update Time : ০৯:০২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

প্রকাশের সময় 20/06/2026

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব মাওলানা গাজী মুহাম্মাদ আবদুর রহীম রুহী বলেছেন, বর্তমান বিএনপি সরকারের নিরবতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের  মানবতাকে শেখ হাসিনা ও তার দোসররা দুর্বলতা ভেবেছে। সেই জায়গা থেকে নেত্রকোনাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সাম্প্রতিক বিভিন্ন জায়গায় মাথা চড়া দিয়ে উঠেছে। শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের মনে রাখতে হবে, হাসিনা সরকার বিগত ১৭  বছর দেশে হাজার হাজার  নিরীহ আলেম উলামা ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতাকে হত্যা করেছে, বহু রাজনীতিবিদকে আহত করে সারা জীবনের জন্য পঙ্গু করেছে।  বিডিআর এর ৫৭ জন সেনা অফিসার কে হত্যার মাধ্যমে দেশের সীমান্ত ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে, ১৩ সালে শাপলা চত্বরে অসংখ্য আলেমদেরকে হত্যা করেছে, রাস্তা থেকে নিরীহ পথচারীদের ধরে নিয়ে আয়না ঘরের টর্চার ছেলে মাসের পর মাস বছরের পর বছর বন্দি করে রেখেছে। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে চৌদ্দশো ছাত্র জনতাকে হত্যা করেছে। বিএনপি ও বিভিন্ন ইসলামী রাজনৈতিক দলের হাজার হাজার নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা, মামলা, জেল জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন করে তাদের জীবনকে অন্ধকার করে দিয়েছে। বিগত সময়ে ছাত্রলীগ যুবলীগ দেশের প্রতিটি শিক্ষাঙ্গনকে মাদক এবং অস্ত্রের গুদামে রূপান্তরিত করে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। আওয়ামী লীগের নেতারা হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এতকিছু করার পরও শেখ হাসিনা কিভাবে স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশে ফের রাজনীতি করার?  শেখ হাসিনা ততকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর বন্দুক রেখে ১৭ টা বছর এদেশের মানুষের উপর জুলুম নির্যাতন করেছে। শেখ হাসিনা ও তার দলের রাজনীতি করার সুযোগ এদেশে আর নেই। ইতিহাস সাক্ষী আওয়ামী লীগ ইসলাম ও দেশের চিরশত্রু।
আজ শনিবার(২০ জুন) বিকেলে নেত্রকোনা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেত্রকোনা জেলা খেলাফত ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে জেলায় আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর দায়ে বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নের নির্দেশদাদের দ্রুত গ্রেফতার ও সীমান্তে ভারত কর্তৃক বাংলাদেশী হত্যা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা ফাহিম রহমান খান পাঠান, জেলা খেলাফত আন্দোলনের নেতা মাওলানা আব্দুর রউফ, মাওলানা আব্দুস সালাম, মাওলানা মোস্তফা জিহাদী, খেলাফত যুব আন্দোলনের জেলা সভাপতি মুফতী মুসা শেখ, খেলাফত ছাত্র আন্দোলনের জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল মোতালিব খান, ছাত্র আন্দোলন নেত্রকোনা জেলা শাখার নেতা, মাওলানা বীন ইয়ামিন রুমী, মাওলানা শরিফুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ, ইসলামি শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন নেতা মারুফ বিল্লাহ প্রমুখ।
মানববন্ধন চলাকালে গাজী আব্দুর রহীম আরও বলেন, ২৩ তারিখ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেশে একটি বিশৃঙ্খলা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, ইতিমধ্যে গোয়েন্দা সংস্থা গুলো এ তথ্য দিয়েছে, এ বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা বন্ধ হচ্ছে না, সীমান্ত রক্ষী বাহিনীকে কোমর সোজা করে পাল্টা জবাব দেওয়ার আহবান জানান।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে  প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।