Dhaka ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনায় ট্রেনের নীচে কাটা পড়ে গার্মেন্টস কর্মী নিহত

প্রকাশের সময় 17/07/2026

নেত্রকোণার জেলা শহুরের রাজুর বাজার রেল কালভার্ট এলাকায় শুক্রবার ভোরে ট্রেনে কাটা পড়ে মুহিদ খান রিফাত (২২) নামক এক গার্মেন্টস কর্মী নিহত হয়েছে।
নিহত মুহিদ খান রিফাত নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া ইউনিয়নের বড় পাইকুড়া গ্রামের মঈনুল কবীর খানের ছেলে। সে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় (গার্মেন্টস) চাকরি করতেন।
নেত্রকোনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার খানে আলম খান নিহত রিফাতের মামা লিলু মড়লের বরাত দিয়ে বলেন, “আমার ভাগ্নে ঢাকায় পোশাক কারখানা থেকে ছুটি নিয়ে ‘হাওর এক্সপ্রেস’ ট্রেনে করে বাড়িতে আসছিল। ভোরের দিকে তাকে মোবাইল ফোনে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যাওয়ার খবর পাই।”
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা খানে আলম খান বলেন, “মুহিদ খান ট্রেনের চাকায় কাটা পড়ে ছিটকে রেলপথের পাশে ডোবায় পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়।”
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসা নেত্রকোণা মডেল থানার এস আই মোঃ আকামল বলেন, “লাশ উদ্ধার করে ঘটনাস্থলেই রাখা আছে। মোহনগঞ্জ জিআরপি পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে লাশ তাদেরকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
জিআরপি পুলিশই পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।”
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

md rezaul hasan

Popular Post

কেন্দুয়ায় মাদক, জুয়া ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সমাবেশ

নেত্রকোনায় ট্রেনের নীচে কাটা পড়ে গার্মেন্টস কর্মী নিহত

Update Time : ০৪:৩৭:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

প্রকাশের সময় 17/07/2026

নেত্রকোণার জেলা শহুরের রাজুর বাজার রেল কালভার্ট এলাকায় শুক্রবার ভোরে ট্রেনে কাটা পড়ে মুহিদ খান রিফাত (২২) নামক এক গার্মেন্টস কর্মী নিহত হয়েছে।
নিহত মুহিদ খান রিফাত নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া ইউনিয়নের বড় পাইকুড়া গ্রামের মঈনুল কবীর খানের ছেলে। সে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় (গার্মেন্টস) চাকরি করতেন।
নেত্রকোনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার খানে আলম খান নিহত রিফাতের মামা লিলু মড়লের বরাত দিয়ে বলেন, “আমার ভাগ্নে ঢাকায় পোশাক কারখানা থেকে ছুটি নিয়ে ‘হাওর এক্সপ্রেস’ ট্রেনে করে বাড়িতে আসছিল। ভোরের দিকে তাকে মোবাইল ফোনে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যাওয়ার খবর পাই।”
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা খানে আলম খান বলেন, “মুহিদ খান ট্রেনের চাকায় কাটা পড়ে ছিটকে রেলপথের পাশে ডোবায় পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়।”
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসা নেত্রকোণা মডেল থানার এস আই মোঃ আকামল বলেন, “লাশ উদ্ধার করে ঘটনাস্থলেই রাখা আছে। মোহনগঞ্জ জিআরপি পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে লাশ তাদেরকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
জিআরপি পুলিশই পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।”