Dhaka ০১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিরহী কবি মাজেদুল হক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৪৮:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • ১৪৫ Time View

প্রকাশের সময় 03/06/2026

তাইপুর রহমান তপু- বিশেষ প্রতিনিধি। 

বৃহত্তর ময়মনসিংহের নেত্রকোণা জেলার সদর উপজেলার পাটলী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন কবি মাজেদুল হক। তাঁর পিতা এস. এম. কিতাব আলী এবং মাতা বেগম আয়েশা খাতুন।

কবি মাজেদুল হকের পূর্ণ নাম শেখ মোহাম্মদ মাজেদুল হক। সাহিত্যাঙ্গণে তিনি “মাজেদুল হক” নামেই অধিক পরিচিত। বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি “বিরহী কবি” উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।

জনপ্রিয় এই কবির কবিতা ও ছড়া প্রতি বছর স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা আবৃত্তি করে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার অর্জন করছে। তাঁর শিশুতোষ ছড়া ও কবিতা শিশুদের মানবিক ও মেধাবিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় শিক্ষার্থীদের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত।

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার আবৃত্তিশিল্পীরা নিয়মিত তাঁর কবিতা আবৃত্তি করে থাকেন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ভারতের অনেক খ্যাতিমান আবৃত্তিশিল্পীও তাঁর কবিতা আবৃত্তি করেছেন।

তরুণ প্রজন্মের কাছে কবি মাজেদুল হক বিশেষভাবে জনপ্রিয় তাঁর প্রেম, বেদনা ও বিরহের আবেগঘন কবিতার জন্য। তাঁর লেখায় যেমন উঠে আসে অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের আর্তনাদ, তেমনি স্থান পায় প্রেম ও বিচ্ছেদের গভীর অনুভূতি। এ কারণেই পাঠকসমাজে তিনি “বিরহী কবি” হিসেবে সুপরিচিত ও সমাদৃত।

কবি মাজেদুল হক কবিতা, ছড়া, গান, গল্প ও উপন্যাসসহ সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় সফলতার সঙ্গে বিচরণ করেছেন। কিশোর বয়স থেকেই তাঁর সাহিত্যচর্চার শুরু। বি.এ. অধ্যয়নরত অবস্থায় তাঁর প্রথম লেখা পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়। বর্তমানে তাঁর লেখা নিয়মিত স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা এবং বিভিন্ন সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত হচ্ছে।

কর্মজীবনে তিনি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে কর্মরত। কর্মব্যস্ততার মাঝেও তিনি নিয়মিত সাহিত্যচর্চা অব্যাহত রেখেছেন।

প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সমালোচকেরা তাঁর কবিতার মূল্যায়ন করতে গিয়ে তাঁকে “বিরহী কবি” উপাধিতে ভূষিত করেছেন। এ প্রসঙ্গে সাহিত্য ব্যক্তিত্বদের মন্তব্য—

“সাধক প্রাণে নীরব সযতনে যদি কষ্টের প্রকাশ,
তবে তো তিনিই ‘বিরহী কবি’ জগতে প্রকাশ।”
— অধ্যাপক ননী গোপাল সরকার
কবি ও কথাসাহিত্যিক

“মাজেদুল হককে আমি সংগঠনের পক্ষ থেকে ‘বিরহী কবি’ উপাধিতে ভূষিত করলাম। তাঁর সাহিত্যচিন্তার আলোকে এ উপাধি যথার্থ বলে আমি মনে করি।”
— অধ্যাপক নজরুল ইসলাম হাবিবী
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, কলম একাডেমি লন্ডন ও কলম টিভি

“মাজেদুল হক বাংলা সাহিত্যের একজন সার্থক কবি। তাঁকে ‘বিরহী কবি’ উপাধিতে বিশেষায়িত করতে পেরে আমি আত্মতৃপ্ত।”
— প্রভাষক তিতাস আহমেদ (তিতাস মিয়া)
নেত্রকোণা সরকারি কলেজ, নেত্রকোণা

ইতোমধ্যে কবি মাজেদুল হক সাহিত্যাঙ্গণে অবদানের জন্য একাধিক সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেছেন।

বিরহ, প্রেম ও মানবিক আবেগের কবি হিসেবে পরিচিত হলেও, তিনি মূলত বাংলা সাহিত্যের একজন সার্থক, সুপরিচিত ও সুনামধন্য সাহিত্যিক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

taipur rahman

কেন্দুয়ায় দুর্বৃত্তের আগুনে বাক প্রতিবন্ধী নারীর বসতঘর পুড়ে ছাই

বিরহী কবি মাজেদুল হক

Update Time : ০২:৪৮:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

প্রকাশের সময় 03/06/2026

তাইপুর রহমান তপু- বিশেষ প্রতিনিধি। 

বৃহত্তর ময়মনসিংহের নেত্রকোণা জেলার সদর উপজেলার পাটলী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন কবি মাজেদুল হক। তাঁর পিতা এস. এম. কিতাব আলী এবং মাতা বেগম আয়েশা খাতুন।

কবি মাজেদুল হকের পূর্ণ নাম শেখ মোহাম্মদ মাজেদুল হক। সাহিত্যাঙ্গণে তিনি “মাজেদুল হক” নামেই অধিক পরিচিত। বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি “বিরহী কবি” উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।

জনপ্রিয় এই কবির কবিতা ও ছড়া প্রতি বছর স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা আবৃত্তি করে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার অর্জন করছে। তাঁর শিশুতোষ ছড়া ও কবিতা শিশুদের মানবিক ও মেধাবিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় শিক্ষার্থীদের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত।

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার আবৃত্তিশিল্পীরা নিয়মিত তাঁর কবিতা আবৃত্তি করে থাকেন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ভারতের অনেক খ্যাতিমান আবৃত্তিশিল্পীও তাঁর কবিতা আবৃত্তি করেছেন।

তরুণ প্রজন্মের কাছে কবি মাজেদুল হক বিশেষভাবে জনপ্রিয় তাঁর প্রেম, বেদনা ও বিরহের আবেগঘন কবিতার জন্য। তাঁর লেখায় যেমন উঠে আসে অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের আর্তনাদ, তেমনি স্থান পায় প্রেম ও বিচ্ছেদের গভীর অনুভূতি। এ কারণেই পাঠকসমাজে তিনি “বিরহী কবি” হিসেবে সুপরিচিত ও সমাদৃত।

কবি মাজেদুল হক কবিতা, ছড়া, গান, গল্প ও উপন্যাসসহ সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় সফলতার সঙ্গে বিচরণ করেছেন। কিশোর বয়স থেকেই তাঁর সাহিত্যচর্চার শুরু। বি.এ. অধ্যয়নরত অবস্থায় তাঁর প্রথম লেখা পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়। বর্তমানে তাঁর লেখা নিয়মিত স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা এবং বিভিন্ন সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত হচ্ছে।

কর্মজীবনে তিনি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে কর্মরত। কর্মব্যস্ততার মাঝেও তিনি নিয়মিত সাহিত্যচর্চা অব্যাহত রেখেছেন।

প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সমালোচকেরা তাঁর কবিতার মূল্যায়ন করতে গিয়ে তাঁকে “বিরহী কবি” উপাধিতে ভূষিত করেছেন। এ প্রসঙ্গে সাহিত্য ব্যক্তিত্বদের মন্তব্য—

“সাধক প্রাণে নীরব সযতনে যদি কষ্টের প্রকাশ,
তবে তো তিনিই ‘বিরহী কবি’ জগতে প্রকাশ।”
— অধ্যাপক ননী গোপাল সরকার
কবি ও কথাসাহিত্যিক

“মাজেদুল হককে আমি সংগঠনের পক্ষ থেকে ‘বিরহী কবি’ উপাধিতে ভূষিত করলাম। তাঁর সাহিত্যচিন্তার আলোকে এ উপাধি যথার্থ বলে আমি মনে করি।”
— অধ্যাপক নজরুল ইসলাম হাবিবী
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, কলম একাডেমি লন্ডন ও কলম টিভি

“মাজেদুল হক বাংলা সাহিত্যের একজন সার্থক কবি। তাঁকে ‘বিরহী কবি’ উপাধিতে বিশেষায়িত করতে পেরে আমি আত্মতৃপ্ত।”
— প্রভাষক তিতাস আহমেদ (তিতাস মিয়া)
নেত্রকোণা সরকারি কলেজ, নেত্রকোণা

ইতোমধ্যে কবি মাজেদুল হক সাহিত্যাঙ্গণে অবদানের জন্য একাধিক সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেছেন।

বিরহ, প্রেম ও মানবিক আবেগের কবি হিসেবে পরিচিত হলেও, তিনি মূলত বাংলা সাহিত্যের একজন সার্থক, সুপরিচিত ও সুনামধন্য সাহিত্যিক।