Dhaka ০২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণ মালায় দীর্ঘ ১৩ বছর পর নেত্রকোনায় একজনের যাবজ্জীব

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:২০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ৩৬৯ Time View

Screenshot

প্রকাশের সময় 08/07/2026

নেত্রকোনায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধি ও স্বামী পরিত্যক্তা এক নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় দীর্ঘ ১৩ বছর পর যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুানাল আদালত। এ সময় আসামীকে নগদ এক লাখ টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুানালের আদালতের বিচারক ড. এমদাদুল হক। বুধবার দুপুরে জনাকীর্ণ আদালতে আসামীর উপস্থিতিতে এ রাং ঘোষণা করেন বিচারক।
মামলার বিবরণ ও বাদি পক্ষ জানায়, ২০২৩ সালের ১০ জুলাই জেলার বারহাট্টা উপজেলার বাসিন্দা বুদ্ধি প্রতিবন্দি স্বামী পরিত্যাক্তা খোদবানুকে প্রতিবেশি দন্ডপ্রাপ্ত মো. হেলাল তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। পরে ধর্ষিত নারী ৬ মাসের অন্তঃস্বত্বা হলে স্থানীয় শালিস দরবারের মাধ্যমে বিষয়টি বিয়ের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার পরে ধর্ষক অস্বীকৃতি জানালে থানায় মামলা করে ভিকটিমের পরিবার। মামলা তদন্তাধীন থাকাবস্থায় ভিকটিম একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেয় ও পরে তার মৃত্যু হয়। মামলাটি দীর্ঘ তদন্ত শেষে ডি-এনএ পরীক্ষার মাধ্যমে আসামী হেলালের সাথে ভিকটিমের কন্যা সন্তানের সাথে মিলে যায় এবং পুলিশ আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। আদালত দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে উল্লেখ করা হয় সাজাপ্রাপ্ত আসামী মো. হেলাল কর্তৃক ধষির্ত হয়েছিলেন খোদবানু এবং খোদবানুর সন্তানের পিতা হেলাল উদ্দিন। দীর্ঘ ১৩ বছর পর খোদবানুর সেই সন্তান তার পিতার পরিচয় ও অধিকার ফিরে পেল।
মামলাটির বাদি বা রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবি হিসেবে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট নুরুল কবীর রুবেল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

md rezaul hasan

সৌরবিদ্যুতে বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা

ধর্ষণ মালায় দীর্ঘ ১৩ বছর পর নেত্রকোনায় একজনের যাবজ্জীব

Update Time : ০৪:২০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

প্রকাশের সময় 08/07/2026

নেত্রকোনায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধি ও স্বামী পরিত্যক্তা এক নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় দীর্ঘ ১৩ বছর পর যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুানাল আদালত। এ সময় আসামীকে নগদ এক লাখ টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুানালের আদালতের বিচারক ড. এমদাদুল হক। বুধবার দুপুরে জনাকীর্ণ আদালতে আসামীর উপস্থিতিতে এ রাং ঘোষণা করেন বিচারক।
মামলার বিবরণ ও বাদি পক্ষ জানায়, ২০২৩ সালের ১০ জুলাই জেলার বারহাট্টা উপজেলার বাসিন্দা বুদ্ধি প্রতিবন্দি স্বামী পরিত্যাক্তা খোদবানুকে প্রতিবেশি দন্ডপ্রাপ্ত মো. হেলাল তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। পরে ধর্ষিত নারী ৬ মাসের অন্তঃস্বত্বা হলে স্থানীয় শালিস দরবারের মাধ্যমে বিষয়টি বিয়ের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার পরে ধর্ষক অস্বীকৃতি জানালে থানায় মামলা করে ভিকটিমের পরিবার। মামলা তদন্তাধীন থাকাবস্থায় ভিকটিম একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেয় ও পরে তার মৃত্যু হয়। মামলাটি দীর্ঘ তদন্ত শেষে ডি-এনএ পরীক্ষার মাধ্যমে আসামী হেলালের সাথে ভিকটিমের কন্যা সন্তানের সাথে মিলে যায় এবং পুলিশ আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। আদালত দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে উল্লেখ করা হয় সাজাপ্রাপ্ত আসামী মো. হেলাল কর্তৃক ধষির্ত হয়েছিলেন খোদবানু এবং খোদবানুর সন্তানের পিতা হেলাল উদ্দিন। দীর্ঘ ১৩ বছর পর খোদবানুর সেই সন্তান তার পিতার পরিচয় ও অধিকার ফিরে পেল।
মামলাটির বাদি বা রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবি হিসেবে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট নুরুল কবীর রুবেল।