
প্রকাশের সময় 12/07/2026
কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণ উজনের পাহাড়ে ঢলে নেত্রকোনায় বেড়েছে নদ নদীর পানি। জেলার পাহাড়ি সীমান্ত উপজেলা কলমাকান্দায় আন্ত:সীমান্ত সোমেশ্বরীর নদীর শাখা নদী উপদাখালি ডাকবাংলা পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমান ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
রবিবার (১২ জুলাই) পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুপুর তিনটার পর্যবেক্ষণে একটি নদীর পানি বিপদ সমান উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার ৫ টি বড় নদ নদীর মধ্যে দুটি নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও এখনো বন্যা পরিস্থিতির কোনো শঙ্কা নেই বলে নিশ্চিত করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বৃষ্টির ফলে কিছুটা পানি বৃদ্ধি পেলেও বৃষ্টি কমলে নদীর পানিও স্বাভাবিক হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘন্টায় কলমাকান্দার ডাকবাংলা পয়েন্টে উপদাখালি পানি ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপসসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আটপাড়া উপজেলায় মগড়া নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তবে এখনো মগড়া নদীর আটপাড়া পয়েন্ট বিপদসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত।
এছাড়া হাওর অধ্যুষিত খালিয়াজুরী উপজেলায় ধনু নদের বৃদ্ধি পেলেও এখনো বিপদসীমার ১৩৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর কংস নদীর জারিয়া ঝান্জাইল পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও নদীর পানি এখনো বিপদসীমার ১৫১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
অন্যগুলো মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাত কিছুটা কমায় দুর্গাপুরে পাহাড়ি খরস্রোতা সোমেশ্বরী নদীর পানিও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। রবিবার বিকাল তিনটা পর্যন্ত সোমেশ্বরী নদীর বিজয়পুর পয়েন্টে ৩১৫ সেন্টিমিটার ও দুর্গাপুর পয়েন্টে ৩০৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নদ নদীর পানি বাড়লেও এখনো তা বন্যা পরিস্থিতির মতো শঙ্কা নেই বলে নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পয়েন্টে ৮৩ মিলিমিটার ও জারিয়া পয়েন্টে ৭৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত কমে আসলে নদ নদীর পানিও কমতে থাকবে বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।
রিফাত আহমেদ রাসেল 












