Dhaka ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনার মদনপুরে চুরের ঘাটিতে অভিযানঃ ১৭টি চোরাই গরু উদ্ধার

প্রকাশের সময় 11/07/2026

নেত্রকোনা সদর উপজেলার মদনপুর পূর্ব পাড়ায় গরু চুরির ঘাটিতে বিশেষ  অভিযান চালিয়ে ১৭টি চোরাই গরু
উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ।
নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম শুক্রবার রাত পৌনে বারোটার দিকে সাংবাদিকদের কাছে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মডেল থানা পুলিশের এস আই মিনহাজুল হক আকিল, এস আই মোশাররফ হোসেন ও এস আই শেখ তৌফিক আমীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম শুক্রবার (১০ জুলাই) ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে মদনপুর পূর্ব পাড়া গরু চুরের ঘাটিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আব্দুছ ছালামের গোয়াল ঘর থেকে ৭টি, রফিকুল ইসলামের গোয়াল ঘর থেকে ৩টি এবং লুত মিয়ার গোয়াল ঘর থেকে ৩টিসহ মোট ১৩টি চোরাই গরু উদ্ধার করে। এ সময় আম্তঃজেলা গরু চোর চক্রের সদস্য আব্দুছ ছালামকে আটক করা হয়। উদ্ধার হওয়া গরুগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় নেত্রকোনা মডেল থানায় পেনাল কোডের ৩৮০/৪১১ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে আটক আঃ ছালামকে গ্রেফতার দেখিয়ে শুক্রবার বিকালে আদালতে হাজির করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ আরো
জানায়, পরবর্তীতে জেলা কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া গরুর তথ্য সারাদেশে প্রচার করা হলে গৌরীপুর থানা এলাকার কয়েক জন ব্যক্তি থানায় এসে ৭টি গরু নিজেদের বলে শনাক্ত করেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মালিকানা যাচাই শেষে প্রকৃত মালিকদের কাছে গরুগুলো হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গ্রেফতার আঃ ছালামের দেয়া তথ্য মতে মডেল থানা পুলিশের এস আই আকামল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের  আরেকটি টিম শুক্রবার রাত ৮টার দিকে মদনপুর পূর্ব পাড়ায় গরু চুরির ঘাটিতে পুনঃরায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে আজিজ মিয়ার গোয়াল ঘর থেকে ২টি এবং আনিক মিয়ার গোয়াল ঘর থেকে ২টি গরু উদ্ধার করা হয়। গরু চুরের ঘাটিতে দুই দফা অভিযান চালিয়ে সর্বমোট ১৭টি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত এসব গরু থানা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং মালিকানা যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবী, কারা গরু চুরির ঘটনার সাথে জড়িত, কাদের আশ্রয় পশ্রয়ে এই গরু চুরির সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এই চক্রের গডফাদার কে? অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হলে সমাজে অপরাধ প্রবনতা কমার পাশাপাশি শান্তি শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
নেত্রকোনা মডেল থানায় অফিসার ইনচার্জ মোঃ আল মামুন সরকার জানান, গরু চুরির ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

md rezaul hasan

Popular Post

কেন্দুয়ায় ১২ পিস ইয়াবা ও ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজন আটক

নেত্রকোনার মদনপুরে চুরের ঘাটিতে অভিযানঃ ১৭টি চোরাই গরু উদ্ধার

Update Time : ০১:৪১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

প্রকাশের সময় 11/07/2026

নেত্রকোনা সদর উপজেলার মদনপুর পূর্ব পাড়ায় গরু চুরির ঘাটিতে বিশেষ  অভিযান চালিয়ে ১৭টি চোরাই গরু
উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ।
নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম শুক্রবার রাত পৌনে বারোটার দিকে সাংবাদিকদের কাছে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মডেল থানা পুলিশের এস আই মিনহাজুল হক আকিল, এস আই মোশাররফ হোসেন ও এস আই শেখ তৌফিক আমীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম শুক্রবার (১০ জুলাই) ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে মদনপুর পূর্ব পাড়া গরু চুরের ঘাটিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আব্দুছ ছালামের গোয়াল ঘর থেকে ৭টি, রফিকুল ইসলামের গোয়াল ঘর থেকে ৩টি এবং লুত মিয়ার গোয়াল ঘর থেকে ৩টিসহ মোট ১৩টি চোরাই গরু উদ্ধার করে। এ সময় আম্তঃজেলা গরু চোর চক্রের সদস্য আব্দুছ ছালামকে আটক করা হয়। উদ্ধার হওয়া গরুগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় নেত্রকোনা মডেল থানায় পেনাল কোডের ৩৮০/৪১১ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে আটক আঃ ছালামকে গ্রেফতার দেখিয়ে শুক্রবার বিকালে আদালতে হাজির করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ আরো
জানায়, পরবর্তীতে জেলা কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া গরুর তথ্য সারাদেশে প্রচার করা হলে গৌরীপুর থানা এলাকার কয়েক জন ব্যক্তি থানায় এসে ৭টি গরু নিজেদের বলে শনাক্ত করেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মালিকানা যাচাই শেষে প্রকৃত মালিকদের কাছে গরুগুলো হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গ্রেফতার আঃ ছালামের দেয়া তথ্য মতে মডেল থানা পুলিশের এস আই আকামল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের  আরেকটি টিম শুক্রবার রাত ৮টার দিকে মদনপুর পূর্ব পাড়ায় গরু চুরির ঘাটিতে পুনঃরায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে আজিজ মিয়ার গোয়াল ঘর থেকে ২টি এবং আনিক মিয়ার গোয়াল ঘর থেকে ২টি গরু উদ্ধার করা হয়। গরু চুরের ঘাটিতে দুই দফা অভিযান চালিয়ে সর্বমোট ১৭টি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত এসব গরু থানা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং মালিকানা যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবী, কারা গরু চুরির ঘটনার সাথে জড়িত, কাদের আশ্রয় পশ্রয়ে এই গরু চুরির সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এই চক্রের গডফাদার কে? অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হলে সমাজে অপরাধ প্রবনতা কমার পাশাপাশি শান্তি শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
নেত্রকোনা মডেল থানায় অফিসার ইনচার্জ মোঃ আল মামুন সরকার জানান, গরু চুরির ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।