
প্রকাশের সময় 05/01/2026
নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলায় নলকূপ স্থাপনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বিএনপি নেতাসহ দুইজন গুরুতর আহত। দা, বল্লম ও লাঠিসোঁটা দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। আহতরা হলেন মোহনগঞ্জ উপজেলার সমাজ সহিলদেও ইউনিয়নের মোবারকপুর গ্রামের মৃত লোকমান হাকিমের ছেলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা নুরুল আমিন (৫০) এবং একই গ্রামের মৃত মাইজ উদ্দিনের ছেলে আসাদুজ্জামান (৪০)।
আহতদের উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পাবই–মোবারকপুর সরকারি সড়কের ওপর এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে বলা হয়, মোবারকপুর কৃষক সমবায় সমিতির আওতাধীন একটি গভীর নলকূপ ১৯৯১ সালে বিআরডিবির মাধ্যমে স্থাপন করা হয়। দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর ২০২৪ সাল থেকে নলকূপটি অচল হয়ে পড়ে। পরে সমিতির রেজুলেশনের মাধ্যমে নলকূপ পুনঃস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া হয়। সরকারি বরাদ্দ না থাকায় নিজস্ব অর্থায়নে নলকূপ স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়।
তবে একই গ্রামের মতিউর, জসিম, সুরুজ ও বাবুলসহ কয়েকজন ব্যক্তি নলকূপ স্থাপনের বিরোধিতা করে অনুমতি বাতিলের দাবিতে আবেদন করেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার দিন বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে স্থানীয় মাতব্বরদের উদ্যোগে সালিশি বৈঠক বসে। বৈঠকে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে আবুল হোসেন, জসিমসহ তাদের সহযোগীরা বিএনপি নেতা নুরুল আমিন ও আসাদুজ্জামানের ওপর হামলা চালায়। এতে দুজনই গুরুতর আহত হয়। শুধু তাই নয় আহত নুরুল আমিন ও আসাদুজ্জামান চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে যাওয়ার পথে অভিযোক্ত জসিম উদ্দিন, আবুল হোসেন শান্তের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রসহ পূনরায় হমলা চালিয়ে রক্তাক্ত করে।
এ ঘটনায় আহত বিএনপি নেতা নুরুল আমিন বাদী হয়ে আবুল হোসেন, মতি মিয়া, জসিম উদ্দিন ফেরদৌস ও কেনু মিয়াসহ ৮ জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগে করেন।
মোহনগঞ্জ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগে পেয়েছি, প্রথমিক তদন্ত করে আসামীদের ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Reporter Name 









