Dhaka ১২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাপলা চত্বরের গণহত্যার বিচার নিয়ে টালবাহানা করলে আরেকটি অভ্যুত্থাণ হবে—- খেলাফত আন্দোলন

প্রকাশের সময় 06/05/2026

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহকারী মাওলানা গাজী মুহাম্মাদ আবদুর রহীম রুহী  বলেছেন, ২০১৩ সালের ৫ মে স্বৈরাচার হাসিনা সরকার শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে রাতের অন্ধকারে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে অসংখ্য আলেম ওলামা ও মুসল্লীদের গনহত্যা করেছে। সেই নারকীয় হামলায় অনেকই শহীদ হয়েছেন, অনেকই চিরতরে পঙ্গু হয়েছেন। ১৩ বছরেও এ হত্যাকান্ডের কোন দৃশ্যমান বিচার কাজ জনগণ দেখতে পাইনি।  আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের আমলে এই নারকীয় গণহত্যার সুষ্ঠু তদন্ত এবং গণহত্যায় জড়িতদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির জোর দাবী জানাচ্ছি। সেই সাথে ঘোষিত ১৩ দফা বাস্তবায়ন ও হেফাজত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
আজ ৫ মে মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায় নেত্রকোনা জেলা শহরের মুক্তারপাড়া কেন্দ্রীয় (বড় মসজিদ) জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে শাপলা চত্বরে গণহত্যার দ্রুত বিচার, নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ১৩ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন নেত্রকোনা পৌরসভার আহবায়ক কারী মোজাম্মেল হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে অন্যদের মধ্যে  বক্তব্য রাখেন, জেলা খেলাফত আন্দোলনের আহবায়ক মুফতি আব্দুল বারী, খেলাফত আন্দোলন নেত্রকোনা পৌরসভার সদস্য সচিব মীর জাকির হোসেন, খেলাফত নেতা  মুফতী মুসা শেখ, মাওলানা আতাউর রহমান কমলপুরী, মাওলানা আব্দুস সালাম বারহাট্টা, জমিয়ত নেতা মুফতি তরিকুল ইসলাম, মাওলানা ইজাহারুল ইসলাম, হাফেজ আবু হানিফ,  মোহাম্মদ তারেক আবির, মোহাম্মদ সারাফাত হোসেন সাকিব, হাফেজ শরিফুল ইসলাম ও ছাত্রনেতা মাওলানা আব্দুল মোতালিব খান প্রমুখ।
এ সময় গাজী আব্দুর রহীম রুহী আরও বলেন, হাসিনার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে মহানায়ক এদেশের আলেম সমাজ এবং হেফাজতে ইসলাম। ২০১৩ সালে অসহায় আলেমদেরকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করার দৃশ্য দেখে গোটা বাংলাদেশে আন্দোলনের যে
ভিত তৈরি হয়েছিলো, সেই ভিত ধীরে ধীরে বড় আকার ধারণ করে, যা ২০২৪ এর জুলাই আগস্টে গণঅভ্যর্থণের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার ভারতে পলানোর মাধ্যমে শেষ হয়। আমরা আজকের এই কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের কাছে অবিলম্বে দাবি জানাচ্ছি, শাপলা চত্বরে গণহত্যার বিচার দ্রুত শেষ করুন, যদি এ বিচার কাজ নিয়ে ভারতীয় চাপে কোন ধরনের টালবাহানা করেন তাহলে দেশে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

md rezaul hasan

কেন্দুয়ায় দুর্বৃত্তের আগুনে বাক প্রতিবন্ধী নারীর বসতঘর পুড়ে ছাই

শাপলা চত্বরের গণহত্যার বিচার নিয়ে টালবাহানা করলে আরেকটি অভ্যুত্থাণ হবে—- খেলাফত আন্দোলন

Update Time : ১১:৫৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

প্রকাশের সময় 06/05/2026

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহকারী মাওলানা গাজী মুহাম্মাদ আবদুর রহীম রুহী  বলেছেন, ২০১৩ সালের ৫ মে স্বৈরাচার হাসিনা সরকার শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে রাতের অন্ধকারে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে অসংখ্য আলেম ওলামা ও মুসল্লীদের গনহত্যা করেছে। সেই নারকীয় হামলায় অনেকই শহীদ হয়েছেন, অনেকই চিরতরে পঙ্গু হয়েছেন। ১৩ বছরেও এ হত্যাকান্ডের কোন দৃশ্যমান বিচার কাজ জনগণ দেখতে পাইনি।  আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের আমলে এই নারকীয় গণহত্যার সুষ্ঠু তদন্ত এবং গণহত্যায় জড়িতদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির জোর দাবী জানাচ্ছি। সেই সাথে ঘোষিত ১৩ দফা বাস্তবায়ন ও হেফাজত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
আজ ৫ মে মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায় নেত্রকোনা জেলা শহরের মুক্তারপাড়া কেন্দ্রীয় (বড় মসজিদ) জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে শাপলা চত্বরে গণহত্যার দ্রুত বিচার, নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ১৩ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন নেত্রকোনা পৌরসভার আহবায়ক কারী মোজাম্মেল হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে অন্যদের মধ্যে  বক্তব্য রাখেন, জেলা খেলাফত আন্দোলনের আহবায়ক মুফতি আব্দুল বারী, খেলাফত আন্দোলন নেত্রকোনা পৌরসভার সদস্য সচিব মীর জাকির হোসেন, খেলাফত নেতা  মুফতী মুসা শেখ, মাওলানা আতাউর রহমান কমলপুরী, মাওলানা আব্দুস সালাম বারহাট্টা, জমিয়ত নেতা মুফতি তরিকুল ইসলাম, মাওলানা ইজাহারুল ইসলাম, হাফেজ আবু হানিফ,  মোহাম্মদ তারেক আবির, মোহাম্মদ সারাফাত হোসেন সাকিব, হাফেজ শরিফুল ইসলাম ও ছাত্রনেতা মাওলানা আব্দুল মোতালিব খান প্রমুখ।
এ সময় গাজী আব্দুর রহীম রুহী আরও বলেন, হাসিনার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে মহানায়ক এদেশের আলেম সমাজ এবং হেফাজতে ইসলাম। ২০১৩ সালে অসহায় আলেমদেরকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করার দৃশ্য দেখে গোটা বাংলাদেশে আন্দোলনের যে
ভিত তৈরি হয়েছিলো, সেই ভিত ধীরে ধীরে বড় আকার ধারণ করে, যা ২০২৪ এর জুলাই আগস্টে গণঅভ্যর্থণের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার ভারতে পলানোর মাধ্যমে শেষ হয়। আমরা আজকের এই কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের কাছে অবিলম্বে দাবি জানাচ্ছি, শাপলা চত্বরে গণহত্যার বিচার দ্রুত শেষ করুন, যদি এ বিচার কাজ নিয়ে ভারতীয় চাপে কোন ধরনের টালবাহানা করেন তাহলে দেশে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে।