Dhaka ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে শিলাবৃষ্টি, পাঁকা ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশের সময় 06/05/2024

নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় রবিবার রাতে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এতে পাঁকা ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

স্থানীয় লোকজন জানায়, বিগত ১৫ দিন তীব্র তাপদাহের পর রবিবার রাতে দুর্গাপুর উপজেলার দুর্গাপুর সদর, কুল্লাগড়া, গাওকান্দিয়া, চন্ডীগড় ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির সঙ্গে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়। শিলাবৃষ্টি প্রায় ১০ মিনিট সময় স্থায়ী ছিল। প্রচন্ড শিলাবৃষ্টিতে পাঁকা ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

গাঁওকান্দিয়া গ্রামের কৃষক সবুজ মিয়া বলেন, আমাদের এলাকায় বেশিরভাগ জমির ধান পাকলেও ধান কাটার মেশিনের অভাব ও শ্রমিক সংকটের কারণে ধান কাটতে বিলম্ব হচ্ছিল। গত রাতে হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে ধানের শিষ থেকে বেশির ভাগই ধান জমিতে ঝরে গেছে। জমির পাঁকা ধান ঘরে তোলার আগেই শিলাবৃষ্টির কবলে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় কৃষকদের মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। অন্যান্য এলাকার কৃষকরাও শিলাবৃষ্টির আতংকে ভূগছে। তাছাড়াও শিলাবৃষ্টিতে মৌসুীম ফল ফলান্তি ও অন্যান্য ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

চন্ডীগড় গ্রামের কৃষক আবুল হাসেম বলেন, আমি ২০ কাটা জমি লাগিয়ে ছিলাম। জমিতে ফলনও ভালো হয়েছিল। সোমবার থেকে ধান কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু গতরাতে শিলাবৃষ্টিতে বেশীরভাগ জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এখন জমিতে যে পরিমান ধান রয়েছে, তা কেটে ঘরে আনলে সারা বছরের খোড়াকীও ঠিকমতো চলবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। এ ব্যাপারে দুর্গাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিপা বিশ্বাস বলেন, হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা জানতে অফিসের লোকজন মাঠে আছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরে জানাতে পারবো।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

md rezaul hasan

Popular Post

নেত্রকোনায় গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্ধুদ্ধ করণের উদ্দেশ্যে জেলা ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে শিলাবৃষ্টি, পাঁকা ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

Update Time : ০৬:৩২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ মে ২০২৪

প্রকাশের সময় 06/05/2024

নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় রবিবার রাতে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এতে পাঁকা ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

স্থানীয় লোকজন জানায়, বিগত ১৫ দিন তীব্র তাপদাহের পর রবিবার রাতে দুর্গাপুর উপজেলার দুর্গাপুর সদর, কুল্লাগড়া, গাওকান্দিয়া, চন্ডীগড় ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির সঙ্গে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়। শিলাবৃষ্টি প্রায় ১০ মিনিট সময় স্থায়ী ছিল। প্রচন্ড শিলাবৃষ্টিতে পাঁকা ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

গাঁওকান্দিয়া গ্রামের কৃষক সবুজ মিয়া বলেন, আমাদের এলাকায় বেশিরভাগ জমির ধান পাকলেও ধান কাটার মেশিনের অভাব ও শ্রমিক সংকটের কারণে ধান কাটতে বিলম্ব হচ্ছিল। গত রাতে হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে ধানের শিষ থেকে বেশির ভাগই ধান জমিতে ঝরে গেছে। জমির পাঁকা ধান ঘরে তোলার আগেই শিলাবৃষ্টির কবলে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় কৃষকদের মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। অন্যান্য এলাকার কৃষকরাও শিলাবৃষ্টির আতংকে ভূগছে। তাছাড়াও শিলাবৃষ্টিতে মৌসুীম ফল ফলান্তি ও অন্যান্য ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

চন্ডীগড় গ্রামের কৃষক আবুল হাসেম বলেন, আমি ২০ কাটা জমি লাগিয়ে ছিলাম। জমিতে ফলনও ভালো হয়েছিল। সোমবার থেকে ধান কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু গতরাতে শিলাবৃষ্টিতে বেশীরভাগ জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এখন জমিতে যে পরিমান ধান রয়েছে, তা কেটে ঘরে আনলে সারা বছরের খোড়াকীও ঠিকমতো চলবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। এ ব্যাপারে দুর্গাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিপা বিশ্বাস বলেন, হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা জানতে অফিসের লোকজন মাঠে আছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরে জানাতে পারবো।